Samokal Potrika

এক ব্যথিত আত্মার আজ মুক্তি হলো,

বড় ক্লেশ ছিল তার জীবন প্রান্তরে।

তার মস্তিষ্কে ছিল শত চাপের মাঝেও শত জ্ঞান,

যা অর্জন করেছিলো এক নিরলস পিঁপড়ার মতো।

তার জ্ঞান পৌঁছেছিল অন্য এক জ্ঞানের পথে,

যে পথে শুধু জ্ঞান দান করা হয়,

আর সে জ্ঞান দানের জন্য নিয়োজিত করা হয়েছিল তাকে ।

এর জন্য তাকে যেতে হয়েছিল এক অজানা আস্তানায়,

যেখানে সেই আত্মার সাথে কারো মিল নেই।

সেই ব্যথিত আত্মার প্রাণ ছিল তার নিজ মাতৃভূমিতে,

কিন্তু তার দেহটা পড়ে ছিল অজানা সেই আস্তানায়।

তার দেহটা ছটফট করতো এক জবাই করা কবুতরের মতো,

মানিয়ে নিতে পারেনি এই অজানা আস্তানার পরিবেশ।

তবে কিছুদিন ধরে এক ধরণের স্নেহের ভালোবাসা গড়ে উঠেছে,

এখানকার সেইসব ঝিঁঝিঁপোকাগুলোর প্রতি!

যেগুলোকে তিনি আলোর পথ দেখিয়েছিলেন,

যেগুলোকে অন্ধকারে আলো জ্বালাতে শিখিয়েছিলেন।

তবুও তিনি  মুক্তি পেতে চেয়েছিলেন এই অজানা আস্তানা থেকে,

যেখানে জ্ঞানের নেই রেষারেষি,নেই কোনো কোলাহল।

অবশেষে আজ মুক্তি হলো এই ব্যথিত আত্মার,

সে ফিরে যেতে পারলো তার নিজ মাতৃভূমিতে,

যেখানেও আলো দেখাবেন অন্য কোনো ঝিঁঝিঁপোকাগুলোকে।

আর এভাবেই এই জ্ঞানগর্ভ আত্মার মুক্তি হলো,

মুক্তি পেল তার জীবনের সকল ক্লেশ হতে।

এক ভাবনাহীন জীবনের মতো কাটিয়ে দিবে তার অমরত্ব,

হয়তো বা এই অজানা আস্তানায় তার অমরত্ব টিকে থাকবে।

হয়তো বা এখানকার ঝিঁঝিঁপোকাগুলো তার গুণ গায়বে,

আর এভাবেই তার সকল জ্ঞানের আলো জ্বালাবে অন্ধকারে।

তবে এখান থেকেই শুধু তার মুক্তি হলো না,

তার মুক্তি হলো এক ব্যথিত আত্মা থেকে।

যেখানে ক্লেশ থাকবেনা, না থাকবে লোকসমাজের ভয়,

যেখানে সে মুক্তি পাবে,যেখানে তার জ্ঞান হবে চির অক্ষয়।

আর এভাবেই আজ মুক্তি পেল এক ব্যথিত আত্মা,

হয়তো কাল থেকেই শুরু হবে মুক্তির জীবনযাত্রা।