আজ ডিএনএ-গুলো, ভিন্ন হয়েও এক,

আজকে আমরা সবাই নিম্ফোম্যানিয়্যাক।

" />

Samokal Potrika

পঁচিশ তলা, রসায়ন ল্যাব।

বসন্ত ফিরে আসে, ‘উইথ এ ব্যাং,’ – দেখ পৃথিবী!

তারপর, দুনিয়ার চারটে দেওয়াল ঢেকে দেয় রঙিন কাঁচে;

সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়ে একাকীত্বে, সঙ্গী হেডফোন আর ই-টিভি।

 

আমিও কান পেতে শুনি। ছোট্ট ছেলেটার

ক্ষুধার্ত চিৎকার, ‘সন্ধ্য প্রতিদিন, সান্ধ্য স্টেসম্যান,’ - শুকনো,

সবাইকে ঘিরে থাকে ঐশ্বরিক ইলেক্ট্রো-ম্যাগ্নেট।

নোংরা কথা, চলে যেতে না চাওয়া, নীচে স্টিরিওটাইপ ফুটনোট।

আর ঝর্ণাগুলো, ভিনগ্রহীর মত বসে থাকে বর্ডারে।

দেখে সূর্যাস্ত কিভাবে বদলে দেয় সৌন্দর্যের সংজ্ঞা।

কি কল্পনা! পারি না!

একটা শূন্যতা ছড়িয়ে পড়ে, আস্তে আস্তে

জীবনটা মুহূর্তে বদলায়, সুদীপ আর জারিনার...

 

তাকিয়ে দেখি চারিদিক,

একটা নতুন কান্না – বুলেটের মত ছুঁয়ে যায় দেহ, গির্জায়; 

সবাই ব্যস্ত কানের হেডফোনটা নিয়ে,

নাড়িভুঁড়ি ছড়িয়ে আছে রাস্তায়, মৃত্যুটাও অল্প একটু ভিড় চায়...

 

আজ ডিএনএ-গুলো, ভিন্ন হয়েও এক,

আজকে আমরা সবাই নিম্ফোম্যানিয়্যাক।