Samokal Potrika

কাঙ্খিত হৃদয়ের নীরব  কোণে

নেচে যায় বর্ষা ময়ুর পেখম তুলে।

যৌবনে আগুণ লাগা ভরা বাদল

প্রেম রাগে নাচে সে মেঘের দলে।

 

পাগল প্রেমিক গায়ে মাখে প্রেম

মেঘ বালিকা আজ ষোড়শী বন্য

পূর্বরাগে ঝরে অশান্ত ঘাম

নদী প্রবাহে সকল অবাধ্য।

 

শুকনো হৃদয়ে প্রেমের ঢল

দু'কূল ছাপিয়ে জোয়ারের ঢেউ 

খড়কুটোও পায় ভালোবাসার টান

ভেসে যেতে চায় দূরে এ মন।

 

 

মরু-বর্ষা"

                                       

                                    

জীমূতমন্ত্রে জেগেছে মরু ঘুম

শ্রাবন সকালে অমিয় ধারায় স্নান।

 

দিগন্ত বলয়ে পাহাড়ের বুক চিরে

শানুতলে শৈবলিনীর উদ্দাম টান।

 

বাবলা গাছের  সুবিন্যস্ত সবুজ সারি

উৎফুল্ল ধারায় সঞ্জীবিত বনানী।

 

ইতিউতি ময়ুরের কামজ কেকা

উটের পালের সবুজের বনভোজন।

 

শুকনো বালুকার অহমিকায় ধোঁকা

প্রান্তর মাঝে মলয় বাতাসের আলিঙ্গন।

 

চম্বলের উৎসে দুরন্ত ঝরণার তোড়ে

ভেসে যায় গ্রীষ্মের স্মৃতি, বিস্মৃতির পথে।

 

 

 "মেঘ-পিয়ন"

                                      

ইচ্ছেমতির সাদা ভেলা, উড়ে যায় আকাশে

পরতে পরতে হৃদয়ের কথা লেখে সে নিরুদ্দেশে

খোলা চিঠির ছত্রে ছত্রে প্রেম নিবেদন

বয়ে চলে উড়তি পথে, পথ ভোলা মেঘ-পিয়ন।

 

প্রিয়ার দেশ খুঁজে নেয় সাদা কালো মেঘ-চিঠি

নির্মল আলোয় চাঁদ মামা করে শুধু আড়কাঠি।

চিঠি লিখেছি তোমায় আমি সারা আকাশ জুড়ে

আষাঢ় সাজে ঝরবে তারা খুঁজে তোমার ঘরে।

 

তোমার মেঘে লিখো জবাব যদি ভালোবাস,

অঙ্গে অঙ্গে একটু তারে হাতের পরশ দিও।

তোমার হাতের হলুদ মাখা ইচ্ছেমতি মেঘ-পিয়ন

 দিগন্ত রেখায় মেলেছে চিঠি সাতটি তার রঙ।