Samokal Potrika

একটি পাখি হঠাৎ এসে বলছে নানান কথা,
দেশের থেকে দূর হয়েছে সকল দুঃখ ব্যথা।
সেই পাখিটি গুনগুনিয়ে গাইছে কতো গান,
গুলি থেকে বাঁচছে নাকি হাজার হাজার প্রাণ।
মুক্ত মনে এখন নাকি চলতে সবাই পারে,
স্বাধীনতার ঘোষক যিনি সালাম জানাই তারে।
সেই পাখিটি হঠাৎ করে ফেলছে দেখি জল,
কান্না কাটি বন্ধ করে কি হয়েছে বল?
ভোর বেলাতে ঘোষক বাড়ি আসছে যেন কারা,
গুলির ঘায়ে শরীরগুলো করছে
জারাজারা।
জীবন নিলো পিতা নিলো নিলো তারা সব,
শরীর ঘেমে রক্তগুলো  করছে যে ধবধব।
তাইতো আমি অমন কেঁদে আবার এলাম ফিরে,
মুখের কথা চুপটি করে আছিস কেন কিরে?
আর্তনাদে বুকটি আমার শুধু ফেটে যায়,
অমন পিতা আর কি বলো কিভু ফিরে পায়?
জড়ো হাতে করছি দোয়া শত্রু পাবে সাজা,
গদির পরে বসে ওরা হোক না যতোই রাজা।

 

ভালো থেকো বঙ্গ পিতা

জাতির পিতা অমর তুমি রবে চিরদিন,
সত্যি বলছি ফুরোবেনা কভু তোমার ঋণ।
তুমি যেদিন এ ধরাতে এলে শিশু রূপে,
বড়ো গোঁফা শত্রুগুলো ছিলো না নিশ্চুপে।
রক্ত আশে এদিকওদিক ছুটেছিলো তারা,
বুড়ো-বুড়ি শিশু-কিশোর গিয়েছিলো মারা।
গাড়ি -বাড়ি কলকারখানা নিয়েছিলো লুটে,
শত্রুগুলো চলছিলো ভাই কালো কালো বুটে।
শাসন বারণ কেউ মানেনি সব করেছে ছাপ,
বৃদ্ধ পিতাও তাদের থেকে পায় নি কভু মাপ।
এমন ভাবেই অনেক বছর হলো একাই পার,
সাহস নিয়ে তুমিই তখন দেখাও স্বাধীন দ্বার।
তর্জনীটা উঁচোয় ধরে দিলে তেজি ভাষণ,
সেই ভাষণে কাঁপলো ধরা কাঁপলো পাকির আসন।
তারপরেতে বঙ্গ জাতি পেলো স্বাধীন স্বাদ,
হঠাৎ করে ভাঙালো দেখো সকল দুঃখ বাঁধ।
তোমার দেওয়া সেই ভাষণে স্বাধীন হলো জাতি,
ঘরে ঘরে জ্বলছে দেখো খুব যে আলো বাতি।
ভালো থেকো সুখে থেকো বঙ্গ জাতির পিতা,
শত্রু বুকে জ্বলবে দেখো বিশাল অনল চিতা।