Samokal Potrika

নতুন পথ আবিষ্কার করার নেশায় পড়েছিলাম আটকা

উটকো এক দমবন্ধকর ঘরে, তৃতীয় ছাগ সন্তানের মত।

ঘরটার মেঝের উপর দেখি আলোর ঝলকানি নানারকম

তার মধ্যে খেতে বসেছেন ভদ্রজন এক, আহার্য শত।

কিন্তু দুচোখে তার বন্যা রাশি, হাতের মুঠোয় ধুলোবালি

মাথার উপর ঠ্যাং ঝুলিয়ে আছেন আর এক মহোদয়,

বিস্ময়ে দেখি তাকে, হাসছে খেলছে আর টানছেও চুল

জিজ্ঞেস করলুম, কে ও, দিচ্ছে না খেতে, তোমার কে হয়?

খেতে বসা হাপুস চোখ বললে, ‘ও অতীত, আমি বর্তমান।

আর ওই পাশে পর্দায় ঘেরা স্থানে থাকে ভবিষ্যৎ দাদা,’

আরো অবাক বললুম, অতীতের পা ধরে দাওনা উল্টে,

দিচ্ছেনা খেতে, দিচ্ছেনা সুখ, ও তো তোমার বাধা।

উত্তর না দিয়ে কেঁদেই চললে বর্তমান, খেলেনা কিছু প্রায়,

আমার চোখে নেমে এলো ঘুম। উঠেই দেখি কি কান্ড!

ওই মহোদয় এখন চেপে বসেছেন আমার কাঁধে, জম্পেশ।

দেখি ভবিষ্যৎ-এর পর্দার আড়ালে উঁকি ঝুঁকি অমৃত-ভান্ড।

আমিও হাপুস চোখ। তবু ধুলোবালি না খেয়ে ছুটি সামনে

ভবিষ্যৎ দাদাকে আজ দেখবই। আনবো তুলে পর্দা ছিঁড়ে।

ছুটতে ছুটতে হলো না খাওয়া, অতীত গল্পও হলোনা শোনা।

হঠাৎ দেখি সেখান থেকে আমি নিজেই কখন এসেছি ফিরে।

ভবিষ্যৎ খুঁজতে গিয়ে, দেখতে গিয়ে কাল-এর মানুষ আমি

নিজেই এসে জুটেছি আর বসেছি সাঙ্গায় বাঁধা শক্ত শিকে,

নতুন দেহ তখন সবে মাত্র বসেছে পঞ্চ ব্যঞ্জনের সুখের পাকে

আর হাসছি খেলছি চুল টানছি আমি তার। পিছনের দিকে।