Samokal Potrika

আজ থেকে বছর পঁচিশ 'পরে
প্রথম তার প্রেমে পড়েছিলাম দুইহাজার চোদ্দোতে!
একফালি দিন মেঘে মিশে রামধনুতে হয়েছিল পাঁচফালি
শান্তনা দিয়েছিল তার এক ফালি-দু চিলতে হাসি
মনে পড়ে,হ্যাঁ রে তোর সেই স্কুল রাস্তার গলি?
গোঁলকধাঁধায় যেখানে চলত আমাদের বেয়াদপি?
আজ থেকে পঁচিশ বছর আগে-আমিই তোর প্রথম প্রেম ছিলাম!
রেগে গিয়ে ঠোঁট ফুলিয়ে কাঁদতিস কেমন একা একা! মনে পড়ে-
সেদিন জুলাইয়ের কথা?
সুইসাইডের স্বপ্নমাখা দিবারাত্রি জাগা!
আজ থেকে বছর পঁচিশ আগে-
হাঁটতাম তোর পিছু পিছু একা!
ছিল না কেউ,এখনোও সেই একাকীত্ব আমার
শুধু দুটো ছেলের মা এখন তুই,বয়স তাও বারো-চারেক হবেক বয়কি!
দেখেছিলাম তোকে তখন জ্যোৎস্নামাখা রাতে
লাল আলতা-পাটের শাড়ীতে,
কে-জানে কেন ছিড়ল শাড়ীর খুঁট্টা,আমার অতো বিচক্ষণতা কি সে?
ও হ্যাঁ তাও বটে!
বর্ষা খুবই প্রিয় ছিল,কিভাবে ছাতার তলায় কাঁদতাম
বন্যা যেন ছাড়িয়ে যেত,প্রেমিক কূল-কে।
শুধু বৃষ্টিভেজা খোলা চুলগুলো দেখার জন্য।
এখন বসন্ত!সেই চার বছরের প্রথম চুম্বনের অভিপ্রায়
জ্যোৎস্না তার শিমূল-পলাশের আবার প্রতিক্ষায়,ঠিক সেই কালিদাসের মতো।
লেখতে চলেছি ভবিতব্যের বার্তা স্বরূপ একটি প্রেম কথা
যার নাম আমার সঙ্গীতা!
আজ থেকে বছর পঁচিশ 'পরে!
থাকবে শুধু ছাঁইয়ের গাঁদা!
কারণ তখন মৃত হবে ট্রেনের আঘাতে এই কবিতা!
আজ থেকে বছর পঁচিশ 'পরে
খোলা চুলে-আলতো হাসিতে এক্ষনো ভাল লাগে তোকে।
সেই আমার শেষ প্রেমের মতো।
আজ থেকে বছর পঁচিশ 'পরে
থাকিস তুই তোর মতো।
আজ থেকে বছর পঁচিশ 'পরে।