Samokal Potrika

চরাচরে রাত্রির ভেতরে নৌকার মতো একটা বুনো রাত্রি 
বাতি স্তম্ভ চাঁদ নীল শূন্যে ভাসছে
কুয়াশার হাহাকারের মধ্যে প্রাচীন শহরের ভাঙা গড়া 
চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না তখনও কিভাবে পানশালার টেবিলে নষ্ট হতো  ভালোবাসা গুলো
আর সিঁড়ির আকাশে দাঁড়িয়ে মানুষ মাইলের পর মাইল নক্ষত্র গুলোকে স্থাপন করতো 

বালি ভরা মেঘ
রুক্ষ গাছ
দিগন্তে আমি একা 
আমার হাত ব্যাগে বংশ পালা 
থেমে দাঁড়িয়ে গাড়িটা হাঁপাচ্ছে
জীবনের ভয় তাকে তাড়িয়ে নিয়ে এসেছে আর নিকট ছেড়ে যাচ্ছে দূর

বিড়ির আলো
নিকোটিনের ধোওয়া
হাওয়া খান খান করে আবার সেলাই করা

জানি না মধ্যযুগের একটি গীর্জা এখানে ফেলে গেছে কারা 
জলের দাগ রয়েছে
নদীর নাম ও আছে
দুঃখ বরাবর আমি হেঁটে গেলাম কিছু নেই
একেবারে এযুগের শেষমাথায় ডাকছে দু-একটি নিশাচর

 

 

 

 

 

ইচ্ছে হলেই অনিচ্ছা সত্বেও বলে ফেলছে যা খুশি

বলুক!

মেহেদী রানা

 

তুমি তো জানো মানুষের কাছে

তোমার কি  ছবি

ইতিহাস 

 

যারা কবিতা লিখতে পারে না

যারা কবিতা বলতে শেখে নি

যারা সাহিত্য, প্রেম কিচ্ছু বোঝে না

তারা অকর্মণ্য বাক্যবাগীশ 

অতি বড় দেশপ্রেমিক! 

ধূলো দিতে চাই মানুষের চোখে

ধর্মের আফিম গিলিয়ে 

দিন দুপুরে রাতের অন্ধকারে 

সেটে বসাতে চাই তোমার পাশে

দেশদ্রোহীর তকমা... 

 

তুমি কবি,

কোনো ছেদো কথায় কর্নপাত না করে 

সাহিত্যের বর্নমালার ঠিকঠাক প্রয়োগ করে 

বিভেদের 'অপরাজনীতির' পাশ কাটিয়ে 

সম্প্রীতির কবিতা লিখে যাও,

সত্যের ছবিটা ফুটিয়ে তোলো

হাজির করো

মানুষের দরবারে....।।