Samokal Potrika

মগজে তালাচাবি দিয়ে

বুকের সব লাল গোলাপগুচ্ছ

বাগান উজাড় করে তোমায় দিলাম।

 

 

কানাকড়ির চেয়েও কম দামে

বিকিয়ে দিলাম নিজেকে।

 

 

সব বাঁ পায়ে মাড়িয়ে মশমশিয়ে চলে গেলে।

 

 

বুকের গভীরে বিঁধে থাকা পেরেক

উপড়ে ফেলতে না পেরে,

নির্জন সমাধিতে আজও একা শুয়ে।

 

 

আজকাল কেউ স্ফটিক চাইতে এলে

তাকে কাচের টুকরোও দিতে পারি না!

 

 

 

শূন্যতা

 

দিনকে ফাঁকি দিতে পারলেও

রাতের কাছে হেরে যাই রোজ!

স্বপ্নেরা সব মুখ থুবড়ে পড়ে

চোখের জলে বালিস ভিজতে থাকে।

 

তারপর খুব ক্লান্ত হলে, 

গভীর ঘুমে পাই মৃত্যুর স্বাদ।

 

সারারাত জ্বলতে-জ্বলতে 

রাতের তারার সলতে ফুরিয়ে যায়।

 

আবার একটা দিন...

আবার ছোটা শুরু...

 

 

 মরণের পার থেকে

 

 

কীদোষে ছিলাম দোষী,কীদোষ আমার?

অনেক ভেবেছি তবু সদুত্তর নেই,

গোলাপ ফুলের মত নতুন কিশোরী

স্ত্রীলিঙ্গ শরীরে ছিল, দোষ ছিল এই!

 

মানুষেরা পশু নয়, সেকথা জেনেই

ধর্ষিতা হতে হতে কেঁদেছি অঝোর,

আমার মতোই কত কেঁদেছে কিশোরী

তবুও তো রাত কেটে আসেনি গো ভোর।

 

অনেক কাঁদার পরে, অবশেষে থেমে

নিথর আমার দেহ কফিনে শোয়ানো;

মোমবাতি মিছিল হবে ! হাঁটো মিছিমিছি, 

সোহাগ দেখাতে কিছু ফুল কিনে আনো।

 

যেদেশে ধর্ষণ, খুন আর অনাচার

অসভ্য সেদেশ ছিল ঠিকানা আমার!