Samokal Potrika

মেয়েটি তখনো সাবালক বোঝেনি। ১২ বছর একটি গোলাপি কুড়ি। অথচ ওই পাপড়িতেই হুল ফোটালো এক পিতৃব্য! যার ত্রিশ বসন্ত কেটেছে বিষধর সাপ হয়ে। নিজের ভাইঝি, প্রতিবেশীর কিশোরী মেয়ে ওর প্রিয় খাদ্য অমরের। অয়িও ছিলো কাকা, ঠাকুমা অন্তপ্রান। বাড়িতে সন্দেহের অবকাশ ছিলোনা। সেই সুযোগে সাপ ফণা তোলে দরজার আড়ালে। অয়িকে আদরের অজুহাতে বাচ্চা মেয়েটার সারা গায়ে ঘুরে বেড়ায় বিষধর সাপ অমর। অয়ি ফুটে ওঠা ফুলে ভ্রমরের মত সয়ে যায় যৌন আশ্লেষ। সাপ তার জিহ্বায় কিশোরী স্তন বৃন্তে ক্রমান্বয়ী প্রলোভন সৃষ্টি করতে থাকে। যা মাদক নেশার চেয়ে ভয়ঙ্কর। অয়িরও পেয়ে বসে কাকুরোগ। এভাবেই একদিন ত্রিশের সাপ প্রবেশ করে অয়ির চক্রগৃহে। অয়ির যোনীতে নারিকেল তেল, ভ্যাসলিন ঢেলেও রক্তপাত বন্ধ করতে পারেনা। উপায় না পেয়ে নিজেই শুষে নেয় অয়ির যোনীরক্ত। ভয়ে কাঁদতে থাকে অয়ি। তাকে স্বকীয় পাশার চালে বশ করে ভয়েরচিহ্ন মুছে দেয় অমর। তারপর অয়ি হয়ে যায় কাকুর নিয়মিত যৌনসঙ্গী। অয়িকে নিয়ে গল্পের শেষ নয়। অয়ির কাছে বলে তার উপরের দিদির বুকের মাপ। যৌনাঙ্গে কোথায় গোপন দাগ আছে। দিদির বুকে হাত দিলে কিভাবে দিদি প্যান্টের দড়ি খুলে দাঁড়াতো! বলে অয়ির জ্যাঠাতো দিদি রিমার কথা। রিমার যোনী পরিষ্কার রাখতে কাকু নিজেই সেভ করে দিতো! রিমা কাকুর কালসাপ মুখে নিয়ে কাকুকে কত আনন্দ দিতো! অয়ির ছোট্ট মস্তিষ্ক ভেবেই চলে কিন্তু কিছুই বুঝে উঠতে পারেনা। এরমধ্য ঘটে আর এক মারাত্মক ঘটনা। অয়ি ও কাকুর যৌনসংগম দেখে ফেলে অয়ির জ্যাঠাতো দাদা জোজো। জোজো অয়ির চেয়ে দুবছরের বড়ো। কাকু জোজো কে দেখে ভয় বা লজ্জা না পেয়ে তাকে কাছে ডাকে। তারপর অয়ির সামনে জোজোর প্যান্টের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে দেয়। জোজো লজ্জায় কুঁকড়ে যায়। কাকু তাকে নিজের কাছে টেনে নেয়। প্যান্ট খুলে জোজোর যোনাঙ্গ হাত দিয়ে নাড়াচাড়া করতে করতে মুখে ঢুকিয়ে নেয়। জোজোর যৌন উত্তেজনা এলে অয়িকে ডেকে ভাই বোনকে সেক্স করতে বাধ্য করে। এবং দুজনকেই ভয় দেখায় এই ঘটনা কাউকে জানালে ওদের মেরে ফেলবে। জোজোর কৈশোর নেশা হয়ে দাঁড়ায় অয়ি। তারা প্রায় যৌনমিলনে মেতে ওঠে। কাকুর পরামর্শ পেয়ে কণ্ডোম, পিল কি সেটাও জেনে যায়। অয়ি একদিন জোজোকে জানায় কাকু তাকে সামনের সপ্তাহে নতুন কিছু জানাবে বলেছে। তারা ভয়ও পায় আবার ভালো কিছু পাওয়ার আশায়ও থাকে। বাড়িতে ঠাকুমা না থাকা বিকালে জোজো ও অয়ির ডাক পড়ে কাকুর ঘরে। তারা ঘরে ঢুকে অবাক হয়। মঞ্জি বু'র মেয়ে রেবেকা সম্পূর্ণ ল্যাংটা হয়ে শুয়ে আছে কাকুর বিছানায়। কাকুর দুটো হাত রেবেকার সারা শরীরে দেওয়াল টিকটিকির মত খেলে বেড়াচ্ছে।

জোজোকে মামা ডাকা রেবেকা নির্লজ্জ যৌন তাড়নায় বুকে টেনে নেয়। তখন কাকুর কব্জায় অয়ি। পাশাপাশি একই বিছানায় কাকু ভাইঝি ও মামা ভাগ্নির যৌনঝড় বয়ে চলে। কখনো রেবেকার সঙ্গে কাকু আবার অয়ির সঙ্গে জোজো। পাপ কি তবে হৃদয়ের বহ্নিগর্ভা? নাকি কাকু মানসিক রুগী। নাকি যৌনতায় বিবেকের জ্বলন্ত চিতাপৃষ্ঠ? সময় কাউকে রেয়াত করেনা। তাই অয়ি ও জোজোর চক্রব্যূহ ভেদ করে ঢুকে দিদি রিমা। শ্বশুর বাড়ি থেকে বাপের বাড়ি এসে সবার আগে খোঁজ করে তার আদরের ছোট দুই ভাই বোন অয়ি ও জোজোর। কোথাও তাদের না পেয়ে কাকিমার কাছে জানতে চাই রিমা। কাকিমা নিশ্চিন্ত ও তাচ্ছিল্য ভাঙ্গিতে বলে, কাকু অন্ত ভাইপো ভাইঝিকে ডেরায় পেয়ে যাবি। কাকুর ডেরা শুনেই রিমার বুকের ভিতর ছ্যাঁত করে ওঠে। তবে কি আদুরে বুনুটাও! কাউকে কিছু না বলে রিমা সন্তর্পণে পা বাড়ায় কাকুর ডেরায়। কিন্তু কিছু দেখতে পায়না। তবে জোজো ও অয়িকে একসাথে বেরিয়ে আসতে দেখে দুশ্চিন্তা বেড়ে যায় রিমার। সদা হাস্যময়ী রিমার মুখে সর্বদা কেমন এক অসুখী ছায়াপাত। কারও প্রশ্নের সঠিক উত্তরও দেয়না। রিমা কি তবে শ্বশুর বাড়িতে কোন সমস্যায় আছে? রিমা বন্ধুর মত কাকিমাকেও এড়িয়ে চলতে থাকায়, কাকিমা একান্তে জোর চেপে ধরে রিমাকে। রিমা অয়িকে কাকুর কাছে পাঠাতে না বলে। কাকিমা বুঝে উঠতে পারেনা ঠিক কি বোঝাতে চাইছে রিমা? রাত্রে রিমা দুই ভাইবোন অয়ি ও জোজোর সঙ্গে শুয়ে ছোটবেলার গল্প করে। কত কত হারানো লুকনো স্মৃতি! দিদির কথার মধ্যেও অয়ি ও জোজো অভ্যাস মত শরীরী ব্যস্ত থাকে। রিমার বুঝতে কিছু বাকি থাকেনা।

রিমা অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে অয়ি ও জোজোকে বোঝাতে সক্ষম হয়, তাদের কাকু কি জঘন্য কাজ করে এবং ভাই বোনের সম্পর্ক কিভাবে নোংড়া করে দিয়েছে। জোজো কাকুর প্রতি ক্ষেপে যায়। রিমা বোঝায় ধিরে ধিরে না এগোলে পাড়ার লোক জেনে কি অপমানকর হবে। আগে বাড়িতে বলা হবে। সেইমত রিমা অভিভাবকদের বললে তারা ঘটনা পুরো চেপে যেতে বলে। পরিবারের সম্মান রক্ষার্থে চুপচাপ মেনে নেওয়া রিমার কাছে অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া মনে হয়। অয়ি কিন্তু কাকুকে কিছু বলেনা। দিদির কথামত পড়াশোনা নিয়েই থাকে। জোজো রাগে কাকুকে মার্ডার করতেও রাজি। রিমা সব নিপুণ দক্ষতায় নিয়ন্ত্রণ করে। তারমধ্যেই একদিন ভয়ঙ্কর এক ঘটনা ঘটে যায়। ঘরের মধ্যে ছটফট করতে থাকে অমর। ঘরময় রক্ত। অমরও রক্তাক্ত। দুহাতে যৌনাঙ্গ চেপে কাটা পাঠার মত আছাড়ি বিছাড়ি করে। সবাই ছুটে এসে দ্যাখে অমরের ছিন্ন যৌনাঙ্গ মাটিতে পড়ে আছে। অমর কাতরাতে কাতরাতে নিথর হয়ে পড়ে আছে। বাড়ির সবার সামনে সম্পূর্ণ উলঙ্গ অয়ি ধান কাটা কাস্তে হাতে খাটের নিচ থেকে বেরিয়ে আসে। সবাই অয়িকে দেখে অবাক। অয়ি সবার মুখের উপর প্রাপ্তবয়স্ক বিজ্ঞের মত বলে, বিচারে শাস্তি কার্যকর করলাম। পৃথিবীর আর কোনো কাকু যেন তার ভাইঝিকে যৌনদাসী বানানোর মত স্পর্ধা না দেখায়।